রক্তজবা
দু-পায়ের উরুতে ভর দিয়ে সত্যরা ভূমিষ্ঠ হয়;
বাতাসে পতঙ্গ উড়ে চলে ঝাঁকে ঝাঁকে।
অঝর ধারায় বকুল ফুলের বৃষ্টি হয় ভাদ্র মাসে।
কুকুরের ছুটোছুটি বাড়তে থাকে,
জুটিতে বেধে রাতের হাসনাহেনার
গন্ধে ঘুমিয়ে যায় চাঁদের বুড়ি।
দাঁত কেলিয়ে হাসে ইরানি কার্পেটে নর্তকীর দল।
রাতের আধার চিড়ে বেরিয়ে আসে সাদা দৈত্যর ছানা।
ইয়া বড় শিং দিয়ে গুতো দেয় চাদরে!
তোশক ফুঁড়ে বেরিয়ে পড়ে রক্তজবা।
ক্যাপশন
সন্ধ্যা থেকে বৃষ্টি ঝড়ছে
আষাঢ় শ্রাবণ চলে গেলেও
বৃষ্টির দাপটের কাছে ভবঘুরে জনতা
নিতান্তই অসহায়।
গলির চিপায় জলন্ত আগুনের ধোঁয়া
নিমিষেই দুপ করেই নিভে যাচ্ছে।
ফুঁ দিতে দিতে ল্যাংটা হবার যোগার।
কোমরের পট্টিমারা জিন্সপ্যান্ট একহাতে
টেনে আরেক হাতে আগুনে ফূঁ দেয়া যে কি কষ্টের
সেটা বলতে গেলেও দম লাগে!
এদিকে হাড়িতে চলে হাহাকার!
চেতনার সাথে সাথে
পেটেও আগুন জ্বালিয়ে দেয় রাক্ষুসে খিদে।
কিন্তু বৃষ্টিতে ভিজে গলির চিপায়
পুরো রাত অপেক্ষা করেও
ঠোট পোড়া খদ্দের জুটবে না একটাও।
খদ্দেররা ভদ্র হয়।
সুগন্ধি মেখে মার্সিডিজ চেপে কাদায় গড়াগড়ি খেতে
নিশ্চয় আসবে না গলির মোড়ে?
বরং গা মুচড়ে দিব্যি বিছানায় শুয়ে
ব্লু ফ্লিম দেখে কাটিয়ে দেবে রাত।
কিন্তু!
খিদের আগুন মিটবে কি করে?
ঠোঁটের আলতা রঙ সেও মুছে যাবে বৃষ্টিতে।
অধরা
কুকরে পড়া শীতল যৌবন হারায় গোধূলির আলোয় ;
ফিকে হয়ে আসে দৃষ্টি।
মেঘের ওপারে জমে কষ্টের পলি,
শান্ত দেহে তবুও জাগে কাম!
ফাগুনের আগুন হয়ে-
অধরা থাকে শীর্ণের জল।
নষ্ট হয় একের পর এক মানব বীর্য।
চিবুক বেয়ে নামে বিন্দু বিন্দু জ্বল
কিছুটা উত্তপ্ত কামের আগুনে
তবুও! চলে যৌবনের গতি?
অধরা থাকে সে মেঘের ওপারে।


0 Comments